মধুখালীতে সরোয়ারকে মারপিট করে আহত - Bangla News 24 Online

BANGLA NEWS 24 ONLINE বাংলা নিউজ ২৪ অনলাইন। Bangla Newspaper বাংলা নিউজ পেপার - BD News 24, BD News Today and Banlga News Today ||

Breaking

Home Top Ad

Thursday, June 25, 2020

মধুখালীতে সরোয়ারকে মারপিট করে আহত

থানায় মামলা করায়  মধুখালীতে সরোয়ারকে মারপিট করে আহত

শাহজাহান হেলাল,  ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ২৫ জুন বৃহস্পতিবার ঃ ফরিদপুরের মধুখালীতে স্বামীর  স্বীকৃতি ও  বিবাহ বহির্ভুত  দাদার কাম-লালসার শিকার  হয়ে পুত্র সন্তানের  জন্ম দেন বিধবা  জোসনা বেগম (৪০)। স্ত্রী ও সন্তানের স্বীকৃতির দাবীতে  মধুখালী থানায় মামলা করেন জোসনা বেগম। 
থানায় মামলা করার জেরে  উপজেলার কোরকদি ইউনিয়নের পুরান মধুখালী গ্রামে ২৪ জুন বুধবার  রাত সাড়ে ৯টায়  মধুখালী থেকে বাড়ী ফিড়ার সময়  আগে থেকে কওসারের লোকজন  নির্জন এলাকায় জোসনার চাচা সরোয়ারের অপেক্ষায় ছিল । সরোয়ার নির্জন এলাকায় আসা মাত্রই দেশীয়  অস্ত্রে সজ্জিত কাওসারের ছেলে  শরিফুল  ইসলামের  নেতৃত্বে  ৮/১০ জনের একটি দল  তার ওপর  হামলা  করে। বেদম পারপিট করে  তাকে । 

এতে সে গুরুতর আহত হন। পরিবারর এবং স্থানীয় লোকজন  তাকে উদ্ধার করে রাতেই মধুখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানের তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।  মধুখালী থানা পুলিশের পরিদর্শক মোঃ আমিনুল ইসলামের কাছে হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার মোবাইলে জানান থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

উল্লেখ জোসনা বেগমের মধুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে উপজেলার কোরকদি ইউনিয়নের   পুরান মধুখালীতে প্রায় ১০ বছর আগে স্বামী  আশরাফ শেখ মৃত্যু বরন করেন। স্বামীর মুত্যুর পর থেকেই  বাড়ীর পাশের মৃত ওমর আলী শেখের ছেলে কাওসার শেখ (৬২) বিভিন্ন  অছিলায় ও ছলনায় ভুলিয়ে ভালিয়ে জোসনা বেগেমের সাথে প্রেমের  সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের সম্পর্ক থেকে  বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক  সম্পর্ক  গড়ে তুলেন  কাওসার শেখ।

প্রেম  আর দাদার ভালবাসা নিয়ে জোসনা বেগম জীবনের চাকা সচল করতে সৌদি আরব প্রবাসী হন। উভায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। সৌদি আরবে ৩ বছর  অবস্থানের  সময় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা জোসনা বেগম  তার মা রেবেকা বেগমের  কাছে পাঠান। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে রেবেকা বেগমের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন কাওসার শেখ।

৩ বছর পূর্বে জোসনা বেগম প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে বাড়ীতে ফিড়ে আসেন। জোসনা বেগম বাড়ীতে আসার পর কাওসার শেখ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়মিত শারীরিক মিলামিশা করতে থাকেন। টাকার হিসাব চাইলে ১ লক্ষ টাকার ঘর তৈরীরর হিসাব দেন কাওসার শেখ। বাকী টাকার জমি লিখে দিবেন এবং বিয়ে করবেন  প্রলোভনে নিয়মিত শারীরিক মিলামিশা করতে থাকেন। জমি আর বিয়ের আশায় সব উজার করে দেন কাওসার শেখকে জোসনা বেগম।

তাদের এ মিলামিশায় সন্তান সম্ভবা হলে জোসনা বেগম কাওসার শেখকে জানান  এবং দ্রুত বিয়ের চাপাচাপি  করলে আল্ট্রাসোনগ্রামের মাধ্যমে জোসনা বেগম মা  হচ্ছেন নিশ্চিত  হয়ে দুরত্ব বজায় রেখে চলেন কাওসার শেখ। বাচ্চা নষ্ট করতে চাপ দেন তিনি এ দিকে  এক দুই করে সময় গড়িয়ে যায় অনেক দুর। পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে জীবনের ঝুকি আছে ডাক্তার  জানালে এবং এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।  লোকচক্ষুর অন্তরালে যথা সময়ে দাদার দেওয়া একটি পুত্র  সন্তানের  জন্ম দেন জোসনা বেগম। চেষ্টার করে জোসনার  পরিবার বিয়ে এবং সন্তানের স্বীকৃতি আদায় করতে ব্যার্থ হয়।

কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হয় না। জোসনা বেগম  মধুখালী থানায় বিয়ে এবং সন্তানের স্বীকৃতির দাবীতে একটি অভিযোগ দিলে প্রতারক প্রেমিক দাদা ঘরবাড়ী ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এবং এলাকাবাসী প্রেমিক দাদা কাওসার শেখকে খুজছে। কাওসার শেখ ও জোসনা বেগমের একই পাড়ায় বাড়ী হওয়ায় তারা সম্পর্কে  দাদা এবং নাতনী।

No comments:

Post a Comment